ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটায় হামলার শিকার সাংবাদিকের পাশে বরিশাল কমিটি, জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক কে. এম. বাচ্চু খলিফাকে দেখতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গেছেন বরিশাল জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ। শনিবার দুপুরে তারা হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এ সময় জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি নিকুঞ্জ বালা পলাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য এম. মোফাজ্জেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ, কার্যনির্বাহী সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ বায়েজিদ, সদস্য লিটন বায়েজিদ ও কাজী সাইফুল ইসলামসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আহত কে. এম. বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি একটি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা এবং অবৈধ দোকানপাট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু কর্মী এ হামলার সঙ্গে জড়িত। হামলার সময় তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি আরো জানান, গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কুয়াকাটা চৌরাস্তার ডাকবাংলোর সামনে থেকে ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে নির্জন স্থানে তার দুই পা ও মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি। কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উল্লাস, যন্তর মন্তরে ‘স্বৈরাচার পরাজিত’ স্লোগান

কুয়াকাটায় হামলার শিকার সাংবাদিকের পাশে বরিশাল কমিটি, জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক কে. এম. বাচ্চু খলিফাকে দেখতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গেছেন বরিশাল জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ। শনিবার দুপুরে তারা হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এ সময় জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি নিকুঞ্জ বালা পলাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য এম. মোফাজ্জেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ, কার্যনির্বাহী সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ বায়েজিদ, সদস্য লিটন বায়েজিদ ও কাজী সাইফুল ইসলামসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আহত কে. এম. বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি একটি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা এবং অবৈধ দোকানপাট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু কর্মী এ হামলার সঙ্গে জড়িত। হামলার সময় তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি আরো জানান, গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কুয়াকাটা চৌরাস্তার ডাকবাংলোর সামনে থেকে ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে নির্জন স্থানে তার দুই পা ও মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি। কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।