ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারি দপ্তর ও আবাসিক ভবনের ছাদসহ আশপাশের এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। শনিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদ পরিষ্কারের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সময়ে জেলার ১৫টি উপজেলাতেও একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অফিস থেকে শুরু হওয়া এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকা ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেও এই উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), জেলা সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আনোয়ারা, কর্ণফুলী, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, রাউজানসহ জেলার ১৫টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে জেলার সব সরকারি দপ্তর ও সরকারি আবাসনে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের প্রথম দিনে ছাদ, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিটি দপ্তরকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আগে ও পরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাতে হবে। ভালো উদ্যোগের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে, তবে কোনো দপ্তরে গাফিলতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শহরকে নিজের মনে করলে সবার আগে নিজ নিজ অফিস থেকেই সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তিনি ডেঙ্গুর আবাসস্থল ধ্বংসে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























