ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

নীলফামারী-১ আসনে জমিয়ত প্রার্থীর প্রচারে বিএনপির নীরবতা, ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) নির্বাচনী আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর নির্বাচনী প্রচারে প্রধান শরিক দল বিএনপির নেতাকর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ভোটারদের অভিযোগ, বিএনপি তাদের প্রার্থীকে সরিয়ে জমিয়তকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় দলের কর্মীরা প্রচারণায় তেমনভাবে অংশ নিচ্ছেন না।

জানা গেছে, বিএনপি ও এর একাধিক অঙ্গসংগঠনের জেলা কমিটি থেকে এই আসনের দুই উপজেলার সকল স্তরের নেতাকর্মীদের নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি জোটের সঙ্গী জমিয়ত চরম বেকায়দায় পড়েছে।

বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, এই আসনে মূলত তারেক রহমানের খালাতো ভাই প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন এবং তিনিই বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আসনটি জোটসঙ্গী জমিয়তকে ছেড়ে দেওয়ায় তিনি নীলফামারী-২ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির অনুসারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই আসন বদলের ঘটনা স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে এবং তা নির্বাচনী প্রচারে প্রভাব ফেলছে।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী জানান, তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং এ বিষয়ে তিনি বিচলিত নন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে চরম বৈষম্য: ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একজন চিকিৎসক

নীলফামারী-১ আসনে জমিয়ত প্রার্থীর প্রচারে বিএনপির নীরবতা, ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ

আপডেট সময় : ০১:০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) নির্বাচনী আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর নির্বাচনী প্রচারে প্রধান শরিক দল বিএনপির নেতাকর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ভোটারদের অভিযোগ, বিএনপি তাদের প্রার্থীকে সরিয়ে জমিয়তকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় দলের কর্মীরা প্রচারণায় তেমনভাবে অংশ নিচ্ছেন না।

জানা গেছে, বিএনপি ও এর একাধিক অঙ্গসংগঠনের জেলা কমিটি থেকে এই আসনের দুই উপজেলার সকল স্তরের নেতাকর্মীদের নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি জোটের সঙ্গী জমিয়ত চরম বেকায়দায় পড়েছে।

বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, এই আসনে মূলত তারেক রহমানের খালাতো ভাই প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন এবং তিনিই বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আসনটি জোটসঙ্গী জমিয়তকে ছেড়ে দেওয়ায় তিনি নীলফামারী-২ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির অনুসারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই আসন বদলের ঘটনা স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে এবং তা নির্বাচনী প্রচারে প্রভাব ফেলছে।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী জানান, তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং এ বিষয়ে তিনি বিচলিত নন।