ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

শর্ত পূরণে অনীহা: বাংলাদেশে অফিস খুলবে না ফেসবুক

বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে অফিস স্থাপনের শর্ত পূরণে অনীহা প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এর ফলে প্রতারণা, অ্যাকাউন্ট হ্যাক, সাইবার বুলিং এবং আপত্তিকর কনটেন্ট সংক্রান্ত ব্যবহারকারীদের অভিযোগ জানানো ও দ্রুত প্রতিকারের সুযোগ সীমিতই থেকে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি বা আপত্তিকর কনটেন্টের শিকার হলে অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। অভিযোগ জানানো হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মেলে না, ফলে অসংখ্য অভিযোগ অমীমাংসিত থেকে যায়।

টেলিকম সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যার মধ্যে ফেসবুকের ব্যবহারকারী চার কোটিরও বেশি। নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরির প্রবণতাও বাড়ছে, যার কিছু সমাজে বহুমুখী অপরাধপ্রবণতা তৈরি করছে। এমনকি বাবা-মাকে ফাঁকি দিয়ে স্কুল পালানোর মতো নেতিবাচক কনটেন্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা হচ্ছে, যা সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো মূলত ভিউয়ের ওপর নির্ভর করে ব্যবসা করে, তাই তাদের মূল ফোকাস থাকে কনটেন্ট প্রদর্শনের দিকে। এ কারণে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ তারা অনেক সময় আমলে নেয় না বা সমাধানে দীর্ঘসূত্রিতা করে। বাংলাদেশে অফিস স্থাপিত হলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১৩ কোটি, যার মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী চার কোটি পাঁচ লাখ, টিকটক ব্যবহারকারী প্রায় পৌনে দুই কোটি এবং ইউটিউব ব্যবহার করেন তিন কোটি পাঁচ লাখ মানুষ। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করে, বাংলাদেশে স্থানীয় অফিস চালু করলে গ্রাহকদের বিপুল সংখ্যক অভিযোগ সামাল দিতে তাদের অসুবিধা হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা

শর্ত পূরণে অনীহা: বাংলাদেশে অফিস খুলবে না ফেসবুক

আপডেট সময় : ০১:৪২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে অফিস স্থাপনের শর্ত পূরণে অনীহা প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এর ফলে প্রতারণা, অ্যাকাউন্ট হ্যাক, সাইবার বুলিং এবং আপত্তিকর কনটেন্ট সংক্রান্ত ব্যবহারকারীদের অভিযোগ জানানো ও দ্রুত প্রতিকারের সুযোগ সীমিতই থেকে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি বা আপত্তিকর কনটেন্টের শিকার হলে অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। অভিযোগ জানানো হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মেলে না, ফলে অসংখ্য অভিযোগ অমীমাংসিত থেকে যায়।

টেলিকম সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যার মধ্যে ফেসবুকের ব্যবহারকারী চার কোটিরও বেশি। নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরির প্রবণতাও বাড়ছে, যার কিছু সমাজে বহুমুখী অপরাধপ্রবণতা তৈরি করছে। এমনকি বাবা-মাকে ফাঁকি দিয়ে স্কুল পালানোর মতো নেতিবাচক কনটেন্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা হচ্ছে, যা সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো মূলত ভিউয়ের ওপর নির্ভর করে ব্যবসা করে, তাই তাদের মূল ফোকাস থাকে কনটেন্ট প্রদর্শনের দিকে। এ কারণে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ তারা অনেক সময় আমলে নেয় না বা সমাধানে দীর্ঘসূত্রিতা করে। বাংলাদেশে অফিস স্থাপিত হলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১৩ কোটি, যার মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী চার কোটি পাঁচ লাখ, টিকটক ব্যবহারকারী প্রায় পৌনে দুই কোটি এবং ইউটিউব ব্যবহার করেন তিন কোটি পাঁচ লাখ মানুষ। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করে, বাংলাদেশে স্থানীয় অফিস চালু করলে গ্রাহকদের বিপুল সংখ্যক অভিযোগ সামাল দিতে তাদের অসুবিধা হতে পারে।