চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে ছিঁচকে চুরি, জাহাজে ডাকাতি ও জলদস্যুতার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এক বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে এবং এর আওতায় বহিঃনোঙরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ও পার্শ্ববর্তী নৌপথে টহল জোরদার করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্র জানিয়েছে, বহিঃনোঙরে নোঙর করা জাহাজগুলোতে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সংঘটিত চুরি, ডাকাতির চেষ্টা এবং জলদস্যুতার ঝুঁকি মোকাবিলায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে কোস্ট গার্ডের একাধিক টহল জাহাজ ও দ্রুতগতির বোট অংশ নিয়েছে। তারা সন্দেহভাজন নৌযান তল্লাশি, জাহাজের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ এবং নৌপথে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছেন।
কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, বহিঃনোঙরে অবস্থান করা জাহাজগুলো দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব জাহাজে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা ঘটলে তা কেবল আর্থিক ক্ষতিই নয়, দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে। তাই নৌপথকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি এই বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
অভিযানের সময় সন্দেহজনক ট্রলার, মাছ ধরার নৌকা ও ছোট নৌযানের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি জাহাজের ক্যাপ্টেন ও শিপিং এজেন্টদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, বহিঃনোঙরে এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অভিযান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গেও সমন্বয় করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















