বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহসানকে দলের সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার দলীয় সদস্য পদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্বাচন সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি বরগুনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালী বাজারে এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের পর, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।”
শামীম আহসানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই মন্তব্যে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হন।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শামীম আহসানের এই বেফাঁস মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং তা দলটির নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার রুকন পদ স্থগিত করা হয়েছে এবং সংগঠনের সকল প্রকার দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন নিশ্চিত করেছেন যে, গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনের একটি নির্বাচনী পথসভায় জেলা জামায়াতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কিছু বিরূপ মন্তব্য করেন, যা ছিল অশোভন ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তার এমন বক্তব্যের কারণেই তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















