ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

তুরস্কের লাস্যময়ী সুপারস্টার হাজাল কায়াকে চেনেন?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের বিনোদন জগতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র হাজাল কায়া। ১৯৯০ সালের ১ অক্টোবর তুরস্কের গাজিয়ানটেপ শহরে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেত্রী। তুর্কি টেলিভিশন সিরিজের জয়জয়কারের এই যুগে হাজাল কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড। বিশেষ করে ‘ফেরিহা’ এবং ‘বিজিম হিকায়ে’-এর মতো সিরিজগুলোর মাধ্যমে তিনি জয় করেছেন কোটি দর্শকের মন।

ক্যারিয়ার ও জনপ্রিয় কাজ: হাজাল কায়া তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিরিজ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে:

  • আসক-ই মেম্মু (আশিক-ই-মামনু): যেখানে নিহাল চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
  • আডিনি ফেরিহা কোয়ডুম (ফেরিহা): এই সিরিজটি তাঁকে আন্তর্জাতিকভাবে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
  • বিজিম হিকায়ে: যা ‘শেমলেস’-এর তুর্কি রূপান্তর হিসেবে বেশ আলোচিত হয়েছিল।

টেলিভিশনের পাশাপাশি রুপালি পর্দায়ও তিনি সমান উজ্জ্বল। ‘বু সন ওলসান’, ‘মাভি দালগা’ এবং ‘কিঙ্ক কালপ্লের বাঙ্কসি’-এর মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

সম্পদ ও পারিশ্রমিক: বর্তমানে তুরস্কের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় হাজালের নাম ওপরের দিকেই থাকে। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ২৫ কোটি টাকা) বেশি। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তিনি কাজ করছেন।

ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার: ২০১৯ সালে অভিনেতা আলী আতয়কে বিয়ে করেন হাজাল। দুই তারকার এই বিয়ে সে সময় তুরস্কের মিডিয়া পাড়ায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। বর্তমানে এই তারকা দম্পতির সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সুন্দর মুহূর্তগুলো শেয়ার করতে তিনি বেশ পছন্দ করেন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৭৭ লাখ (৭.৭ মিলিয়ন)।

বহুমুখী প্রতিভা: হাজাল কায়া কেবল রূপ আর অভিনয়েই সীমাবদ্ধ নন। তাঁর প্রতিভা বহুমুখী:

  • ভাষাগত দক্ষতা: নিজের মাতৃভাষা তুর্কি ছাড়াও তিনি ইংরেজি, ইতালীয় ও জার্মান ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন।
  • সঙ্গীত প্রতিভা: অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গানেও দক্ষ। মূলত পপ গান করেন এবং তাঁর বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল তুর্কি চার্টে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।

হাজাল কায়া প্রমাণ করেছেন যে, কঠোর পরিশ্রম আর বহুমুখী দক্ষতা থাকলে কেবল নিজ দেশেই নয়, বিশ্বমঞ্চেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা সম্ভব।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য

তুরস্কের লাস্যময়ী সুপারস্টার হাজাল কায়াকে চেনেন?

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

তুরস্কের বিনোদন জগতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র হাজাল কায়া। ১৯৯০ সালের ১ অক্টোবর তুরস্কের গাজিয়ানটেপ শহরে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেত্রী। তুর্কি টেলিভিশন সিরিজের জয়জয়কারের এই যুগে হাজাল কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড। বিশেষ করে ‘ফেরিহা’ এবং ‘বিজিম হিকায়ে’-এর মতো সিরিজগুলোর মাধ্যমে তিনি জয় করেছেন কোটি দর্শকের মন।

ক্যারিয়ার ও জনপ্রিয় কাজ: হাজাল কায়া তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিরিজ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে:

  • আসক-ই মেম্মু (আশিক-ই-মামনু): যেখানে নিহাল চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
  • আডিনি ফেরিহা কোয়ডুম (ফেরিহা): এই সিরিজটি তাঁকে আন্তর্জাতিকভাবে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
  • বিজিম হিকায়ে: যা ‘শেমলেস’-এর তুর্কি রূপান্তর হিসেবে বেশ আলোচিত হয়েছিল।

টেলিভিশনের পাশাপাশি রুপালি পর্দায়ও তিনি সমান উজ্জ্বল। ‘বু সন ওলসান’, ‘মাভি দালগা’ এবং ‘কিঙ্ক কালপ্লের বাঙ্কসি’-এর মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

সম্পদ ও পারিশ্রমিক: বর্তমানে তুরস্কের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় হাজালের নাম ওপরের দিকেই থাকে। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ২৫ কোটি টাকা) বেশি। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তিনি কাজ করছেন।

ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার: ২০১৯ সালে অভিনেতা আলী আতয়কে বিয়ে করেন হাজাল। দুই তারকার এই বিয়ে সে সময় তুরস্কের মিডিয়া পাড়ায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। বর্তমানে এই তারকা দম্পতির সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সুন্দর মুহূর্তগুলো শেয়ার করতে তিনি বেশ পছন্দ করেন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৭৭ লাখ (৭.৭ মিলিয়ন)।

বহুমুখী প্রতিভা: হাজাল কায়া কেবল রূপ আর অভিনয়েই সীমাবদ্ধ নন। তাঁর প্রতিভা বহুমুখী:

  • ভাষাগত দক্ষতা: নিজের মাতৃভাষা তুর্কি ছাড়াও তিনি ইংরেজি, ইতালীয় ও জার্মান ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন।
  • সঙ্গীত প্রতিভা: অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গানেও দক্ষ। মূলত পপ গান করেন এবং তাঁর বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল তুর্কি চার্টে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।

হাজাল কায়া প্রমাণ করেছেন যে, কঠোর পরিশ্রম আর বহুমুখী দক্ষতা থাকলে কেবল নিজ দেশেই নয়, বিশ্বমঞ্চেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা সম্ভব।