ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমই ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইতিহাসের পাতায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৬ অব্দে মহামতি আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের ঘটনা আজও স্মরণীয়। ঝিলাম নদীর তীরে রাজা পুরুকে পরাজিত করার পর, যুদ্ধবন্দী হিসেবে পুরুর অসম সাহসিকতা ও রাজার প্রতি রাজার সম্মান প্রদর্শনের আকুতি আলেকজান্ডারকে মুগ্ধ করেছিল। এই ঘটনা থেকে তিনি শিক্ষা নিয়েছিলেন এবং রাজা পুরুকে মুক্তি দিয়ে তাঁর রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। রাজা পুরু আজও তাঁর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অটল মনোভাবের জন্য ইতিহাসে সম্মানিত। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং নৈতিক দৃঢ়তা যেকোনো রাষ্ট্রের, এমনকি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রেরও নিরাপত্তাকে সুসংহত করতে পারে।

আধুনিক পররাষ্ট্রনীতি এবং প্রতিরক্ষা কৌশলের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও এই ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি তাঁর ‘দ্য প্রিন্স’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো রাষ্ট্র তখনই ক্ষুদ্র থাকে না যখন তার জনগণের মধ্যে জাতিগত ঐক্য, অভিন্ন ভাষা এবং স্বাধীনচেতা মনোভাব বিদ্যমান থাকে। তিনি তৎকালীন তুরস্কের উদাহরণ দিয়ে বলেন যে, সেখানকার জনগণের ঐক্যবদ্ধতা বহিরাগত আক্রমণকারীদের জন্য এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি করেছিল। অন্যদিকে, ফ্রান্সের মতো রাষ্ট্রে যেখানে অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অসন্তোষ ও বিভেদ সহজে সৃষ্টি করা যায়, সেখানে শত্রুপক্ষ সহজেই প্রবেশ করতে পারে। সুতরাং, জনগণের জাতীয় ঐক্যই হলো রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা।

চাণক্যও তাঁর ‘আর্টশাস্ত্র’ গ্রন্থে একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করতেন, কপট উপায়ে বিজয় লাভ বা আক্রমণ দুর্বল শাসকের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে। তাঁর নীতি অনুযায়ী, নিকটবর্তী রাজ্য স্বাভাবিকভাবেই শত্রু হয়ে ওঠে এবং বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই তারা বন্ধুত্বের ভান করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, “শত্রুর শত্রু মিত্র” – এই প্রবাদটি আজও প্রাসঙ্গিক।

তবে ঔপনিবেশিকতা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ধারণাগুলোকে আমূল পরিবর্তন করে দিয়েছে। কেবল ভূখণ্ড দখল বা সম্পদ লুণ্ঠনই নয়, ঔপনিবেশিকতার মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা সমাজ, সংস্কৃতি এবং জনগোষ্ঠীর মানসিকতাকে ধ্বংস করা। উপনিবেশ-উত্তর বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ বা নয়া-উপনিবেশবাদ এক নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত তার ধরণ পরিবর্তন করছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত ‘লিগ অফ নেশনস’ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ‘জাতিসংঘ’ গঠিত হলেও যুদ্ধ, অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং সংঘাত থামেনি। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে বিপুল পরিমাণে। একদিকে অস্ত্রের বাজার রমরমিয়ে বাড়ছে, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্যের হারও বাড়ছে। গাজার যুদ্ধ, ‘ওয়ার অন টেরর’-এর নামে সংঘটিত সংঘাতগুলো প্রমাণ করে যে, মানবতা আজ এক গভীর সংকটে নিপতিত।

এই পরিস্থিতিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশগুলো প্রায়শই আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা নয়া-উপনিবেশবাদের স্পষ্ট উদাহরণ। এই প্রেক্ষাপটে, পশ্চিমা দেশগুলো যে ‘ক্ষুদ্ররাষ্ট্র’ বিষয়ক হীনম্মন্যতার তত্ত্ব প্রচার করছিল, তা আজ ভেঙে পড়েছে।

বাস্তবতা হলো, কোনো রাষ্ট্রই প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্র নয়, যদি তা তার নিজস্ব সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাকে জন অংশীদারত্বমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা বা নীতি কৌশলের অভাব পরিলক্ষিত হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আত্মবিশ্বাস এবং দেশপ্রেমের অভাব আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে দুর্বল করে তুলছে।

এই অবস্থায়, বাংলাদেশ দুটি কৌশল অবলম্বন করতে পারে। প্রথমত, ‘ভিয়েতনাম সিনড্রোম’ অনুসরণ করা, যেখানে একটি রাষ্ট্র তার অতীতের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক থাকে। দ্বিতীয়ত, সিঙ্গাপুরের ‘পয়জনাস শ্রিম্প ডকট্রিন’ বা বিষাক্ত চিংড়ি নীতি গ্রহণ করা। এই নীতি অনুযায়ী, একটি রাষ্ট্র নিজেকে এমনভাবে শক্তিশালী ও দুর্ভেদ্য করে তুলবে যেন কোনো বহিঃশক্তি তাকে আক্রমণ করার সাহস না পায়।

স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি হওয়া উচিত সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব স্থাপন এবং সমমনোভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়া। বাংলাদেশকেও এখন জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য সময়োপযোগী ও উন্নত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট আমাদের শিখিয়েছে যে, সাধারণ মানুষই পারে এবং পেরেছে। তাই, জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার ব্যাপকতা: ২০ প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত

জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমই ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ইতিহাসের পাতায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৬ অব্দে মহামতি আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের ঘটনা আজও স্মরণীয়। ঝিলাম নদীর তীরে রাজা পুরুকে পরাজিত করার পর, যুদ্ধবন্দী হিসেবে পুরুর অসম সাহসিকতা ও রাজার প্রতি রাজার সম্মান প্রদর্শনের আকুতি আলেকজান্ডারকে মুগ্ধ করেছিল। এই ঘটনা থেকে তিনি শিক্ষা নিয়েছিলেন এবং রাজা পুরুকে মুক্তি দিয়ে তাঁর রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। রাজা পুরু আজও তাঁর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অটল মনোভাবের জন্য ইতিহাসে সম্মানিত। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং নৈতিক দৃঢ়তা যেকোনো রাষ্ট্রের, এমনকি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রেরও নিরাপত্তাকে সুসংহত করতে পারে।

আধুনিক পররাষ্ট্রনীতি এবং প্রতিরক্ষা কৌশলের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও এই ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি তাঁর ‘দ্য প্রিন্স’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো রাষ্ট্র তখনই ক্ষুদ্র থাকে না যখন তার জনগণের মধ্যে জাতিগত ঐক্য, অভিন্ন ভাষা এবং স্বাধীনচেতা মনোভাব বিদ্যমান থাকে। তিনি তৎকালীন তুরস্কের উদাহরণ দিয়ে বলেন যে, সেখানকার জনগণের ঐক্যবদ্ধতা বহিরাগত আক্রমণকারীদের জন্য এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি করেছিল। অন্যদিকে, ফ্রান্সের মতো রাষ্ট্রে যেখানে অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অসন্তোষ ও বিভেদ সহজে সৃষ্টি করা যায়, সেখানে শত্রুপক্ষ সহজেই প্রবেশ করতে পারে। সুতরাং, জনগণের জাতীয় ঐক্যই হলো রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা।

চাণক্যও তাঁর ‘আর্টশাস্ত্র’ গ্রন্থে একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করতেন, কপট উপায়ে বিজয় লাভ বা আক্রমণ দুর্বল শাসকের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে। তাঁর নীতি অনুযায়ী, নিকটবর্তী রাজ্য স্বাভাবিকভাবেই শত্রু হয়ে ওঠে এবং বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই তারা বন্ধুত্বের ভান করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, “শত্রুর শত্রু মিত্র” – এই প্রবাদটি আজও প্রাসঙ্গিক।

তবে ঔপনিবেশিকতা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ধারণাগুলোকে আমূল পরিবর্তন করে দিয়েছে। কেবল ভূখণ্ড দখল বা সম্পদ লুণ্ঠনই নয়, ঔপনিবেশিকতার মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা সমাজ, সংস্কৃতি এবং জনগোষ্ঠীর মানসিকতাকে ধ্বংস করা। উপনিবেশ-উত্তর বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ বা নয়া-উপনিবেশবাদ এক নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত তার ধরণ পরিবর্তন করছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত ‘লিগ অফ নেশনস’ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ‘জাতিসংঘ’ গঠিত হলেও যুদ্ধ, অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং সংঘাত থামেনি। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে বিপুল পরিমাণে। একদিকে অস্ত্রের বাজার রমরমিয়ে বাড়ছে, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্যের হারও বাড়ছে। গাজার যুদ্ধ, ‘ওয়ার অন টেরর’-এর নামে সংঘটিত সংঘাতগুলো প্রমাণ করে যে, মানবতা আজ এক গভীর সংকটে নিপতিত।

এই পরিস্থিতিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশগুলো প্রায়শই আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আচরণ এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা নয়া-উপনিবেশবাদের স্পষ্ট উদাহরণ। এই প্রেক্ষাপটে, পশ্চিমা দেশগুলো যে ‘ক্ষুদ্ররাষ্ট্র’ বিষয়ক হীনম্মন্যতার তত্ত্ব প্রচার করছিল, তা আজ ভেঙে পড়েছে।

বাস্তবতা হলো, কোনো রাষ্ট্রই প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্র নয়, যদি তা তার নিজস্ব সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাকে জন অংশীদারত্বমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা বা নীতি কৌশলের অভাব পরিলক্ষিত হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, আত্মবিশ্বাস এবং দেশপ্রেমের অভাব আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে দুর্বল করে তুলছে।

এই অবস্থায়, বাংলাদেশ দুটি কৌশল অবলম্বন করতে পারে। প্রথমত, ‘ভিয়েতনাম সিনড্রোম’ অনুসরণ করা, যেখানে একটি রাষ্ট্র তার অতীতের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক থাকে। দ্বিতীয়ত, সিঙ্গাপুরের ‘পয়জনাস শ্রিম্প ডকট্রিন’ বা বিষাক্ত চিংড়ি নীতি গ্রহণ করা। এই নীতি অনুযায়ী, একটি রাষ্ট্র নিজেকে এমনভাবে শক্তিশালী ও দুর্ভেদ্য করে তুলবে যেন কোনো বহিঃশক্তি তাকে আক্রমণ করার সাহস না পায়।

স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি হওয়া উচিত সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব স্থাপন এবং সমমনোভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়া। বাংলাদেশকেও এখন জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য সময়োপযোগী ও উন্নত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট আমাদের শিখিয়েছে যে, সাধারণ মানুষই পারে এবং পেরেছে। তাই, জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য।