ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

গণপিটুনি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি: নাগরিক নিরাপত্তা কোথায়?

একটি সভ্য রাষ্ট্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গণপিটুনি কেবল আইনি লঙ্ঘনই নয়, এটি মানবাধিকারের চরম অবমাননা। আইনের শাসন নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব, যেখানে অপরাধী অভিযুক্ত হলেও বিচার পাওয়ার অধিকার তার সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সন্দেহ বা গুজবের ভিত্তিতে মব বা গণপিটুনির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে, যা সামাজিক নিরাপত্তার ভিত্তিকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাসে মব হামলায় ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই চিত্র প্রমাণ করে, মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, যা রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকটকেও স্পষ্ট করে। যখন কোনো সমাজ বিচারিক প্রক্রিয়ার চেয়ে তাৎক্ষণিক সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা আর নিশ্চিত থাকে না। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া এই সামাজিক ব্যাধি থেকে উত্তরণ অসম্ভব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ শুনানিতে ক্ষমা চাইলেন আসামি

গণপিটুনি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি: নাগরিক নিরাপত্তা কোথায়?

আপডেট সময় : ১২:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

একটি সভ্য রাষ্ট্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গণপিটুনি কেবল আইনি লঙ্ঘনই নয়, এটি মানবাধিকারের চরম অবমাননা। আইনের শাসন নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব, যেখানে অপরাধী অভিযুক্ত হলেও বিচার পাওয়ার অধিকার তার সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সন্দেহ বা গুজবের ভিত্তিতে মব বা গণপিটুনির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে, যা সামাজিক নিরাপত্তার ভিত্তিকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাসে মব হামলায় ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই চিত্র প্রমাণ করে, মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, যা রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকটকেও স্পষ্ট করে। যখন কোনো সমাজ বিচারিক প্রক্রিয়ার চেয়ে তাৎক্ষণিক সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা আর নিশ্চিত থাকে না। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া এই সামাজিক ব্যাধি থেকে উত্তরণ অসম্ভব।