ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপুকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা গ্রেফতার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ইয়াছিন ভালুকার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু দাসকে হত্যার পর তার মরদেহ রশি দিয়ে বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই অজ্ঞাত পরিচয় ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ইয়াছিন আরাফাত ওইদিন শ্রমিকদের উত্তেজিত করে স্লোগান দিয়ে জড়ো করেছিলেন এবং পরে লাশ টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলার নেতৃত্ব দেন।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ইয়াছিন পলাতক ছিলেন এবং ডেমরা এলাকায় পরিচয় গোপন করে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেছিলেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং নয়জন আসামি এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা: আলোচনায় বসার আহ্বান চীনের, মধ্যস্থতার প্রস্তাবও

ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপুকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ইয়াছিন ভালুকার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু দাসকে হত্যার পর তার মরদেহ রশি দিয়ে বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই অজ্ঞাত পরিচয় ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ইয়াছিন আরাফাত ওইদিন শ্রমিকদের উত্তেজিত করে স্লোগান দিয়ে জড়ো করেছিলেন এবং পরে লাশ টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলার নেতৃত্ব দেন।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ইয়াছিন পলাতক ছিলেন এবং ডেমরা এলাকায় পরিচয় গোপন করে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেছিলেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং নয়জন আসামি এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।