ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

খালেদা জিয়া দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন: নাহিদ ইসলাম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে এদেশের মানুষকে পথ দেখিয়েছে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন এবং চড়াই-উৎরাই পার করেছেন, কিন্তু নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছিলেন আপোসহীন। 

এনসিপির আহ্বায়ক লিখেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং সংগ্রামের স্মৃতি নিশ্চয়ই সংরক্ষিত থাকবে। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে থাকবে অনুপ্রেরণা হয়ে।

তিনি লিখেন, আজ তার প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

মহান আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তাঁর অসংখ্য অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি, লিখেন নাহিদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়া দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন: নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ১২:৫০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে এদেশের মানুষকে পথ দেখিয়েছে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন এবং চড়াই-উৎরাই পার করেছেন, কিন্তু নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছিলেন আপোসহীন। 

এনসিপির আহ্বায়ক লিখেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং সংগ্রামের স্মৃতি নিশ্চয়ই সংরক্ষিত থাকবে। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে থাকবে অনুপ্রেরণা হয়ে।

তিনি লিখেন, আজ তার প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

মহান আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তাঁর অসংখ্য অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি, লিখেন নাহিদ।