বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর ভারতের কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন সড়ক এবং বিভিন্ন গেট ব্যবহার করে রাতে বড় গাড়িতে করে মানুষ এনে আলো নিভিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান সম্প্রতি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের অন্তত ২০টি পয়েন্টে একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে। মে মাসের শেষদিক থেকে জুনের প্রথম ভাগ পর্যন্ত বিএসএফ প্রায় ২০০ জন মানুষকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় কেউ বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিটি ‘পুশইন’ চেষ্টার আগে ভারতীয় সীমান্তের লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা একটি বড় সংকেত। এই ধরনের ঘটনাগুলোর ‘প্যাটার্ন’ একই রকম। মাহমুদুল হাসান জানান, স্থানীয়দের এসব বিষয় জানিয়ে ‘পুশইন’ ঠেকাতে তাদের সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর থেকে রঘুনাথপুরের দিকে যাওয়ার সীমান্ত লাগোয়া রাস্তায় ২ জুন বিকেলে দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র। আশেপাশের গ্রাম থেকে স্থানীয় মানুষ জড়ো হয়েছেন, যারা ভারত থেকে ঠেলে দেওয়া মানুষগুলোকে দেখতে এসেছেন। এই মানুষগুলো দুই দেশের মধ্যবর্তী অঞ্চল বা ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ আটকা পড়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 



















