ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ইসরাইলে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ

ইসরাইলে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদানের বিধানের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন। সামরিক বাহিনীতে যোগদানে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে তারা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভের জেরে দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মধ্য ইসরাইলে ‘জেরুজালেম ফ্যাকশন’ নামে একটি সংগঠন এই বিক্ষোভের ডাক দেয়। এর আগের দিন বুধবার, সামরিক বাহিনীতে যোগদানে অনিচ্ছুক ১৯ জনকে পুলিশ আইডিএফের (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) হেফাজতে হস্তান্তর করে। এদের গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বুধবার রাতে জেরুজালেম এবং তেল আবিবের বিভিন্ন আটক কেন্দ্রের বাইরেও একই ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশ জেরুজালেম, বেইত শেমেশ এবং অন্যান্য হারেদি (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী) অধ্যুষিত এলাকা থেকে এসেছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ আগে থেকেই সাধারণ মানুষকে কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছিল।

তবে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিক্ষোভকারীরা রেললাইনে নেমে পড়েন, যার ফলে তেলআবিবে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। জেরুজালেম থেকে তেল আবিবগামী একটি ট্রেনের শত শত যাত্রীকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ জানায়, মহাসড়কগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে এবং জেরুজালেম ফ্যাকশনের নেতারা বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনা ইসরাইলের সমাজে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ নিয়ে বিদ্যমান অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ইসরাইলে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৭:১১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ইসরাইলে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদানের বিধানের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন। সামরিক বাহিনীতে যোগদানে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে তারা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভের জেরে দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মধ্য ইসরাইলে ‘জেরুজালেম ফ্যাকশন’ নামে একটি সংগঠন এই বিক্ষোভের ডাক দেয়। এর আগের দিন বুধবার, সামরিক বাহিনীতে যোগদানে অনিচ্ছুক ১৯ জনকে পুলিশ আইডিএফের (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) হেফাজতে হস্তান্তর করে। এদের গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বুধবার রাতে জেরুজালেম এবং তেল আবিবের বিভিন্ন আটক কেন্দ্রের বাইরেও একই ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশ জেরুজালেম, বেইত শেমেশ এবং অন্যান্য হারেদি (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী) অধ্যুষিত এলাকা থেকে এসেছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ আগে থেকেই সাধারণ মানুষকে কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছিল।

তবে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিক্ষোভকারীরা রেললাইনে নেমে পড়েন, যার ফলে তেলআবিবে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। জেরুজালেম থেকে তেল আবিবগামী একটি ট্রেনের শত শত যাত্রীকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ জানায়, মহাসড়কগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে এবং জেরুজালেম ফ্যাকশনের নেতারা বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনা ইসরাইলের সমাজে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ নিয়ে বিদ্যমান অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।