ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় জোটের বিশাল বিক্ষোভ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা এবং জোরপূর্বক ভারতীয়দের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সীমান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ড এবং পুশইনের ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে প্রতিবেশী দেশ যে অমানবিক আচরণ করছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সরকারকে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশইন অবিলম্বে বন্ধ না হয়, তবে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় জোটের বিশাল বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৯:৪১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা এবং জোরপূর্বক ভারতীয়দের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সীমান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ড এবং পুশইনের ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে প্রতিবেশী দেশ যে অমানবিক আচরণ করছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সরকারকে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশইন অবিলম্বে বন্ধ না হয়, তবে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।