ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারে ৩ ধাপে ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ভোটের প্রথম দুই ধাপ হবে ২৮ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি। এই দুই ধাপে মোট ৩৩০টি প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে ২০২টিতে ভোটগ্রহণ হবে।

রাষ্ট্রীয় পত্রিকা গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার এ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে ৬৩টি টাউনশিপে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
মিয়ানমার জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং আগেই স্বীকার করেছেন, সারা দেশে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর থেকে দেশে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত হতে থাকে সশস্ত্র প্রতিরোধ।

দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেই ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলো। তবে ভোট গণনা ও নির্বাচনের ফল ঘোষণার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি স্থিতিশীল প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার সামরিক সরকারের এই উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে জান্তা সরকারের দাবি, এই নির্বাচন জনগণের সমর্থন পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণভোটের রায় ও অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবি

মিয়ানমারে ৩ ধাপে ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা

আপডেট সময় : ১২:১৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ভোটের প্রথম দুই ধাপ হবে ২৮ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি। এই দুই ধাপে মোট ৩৩০টি প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে ২০২টিতে ভোটগ্রহণ হবে।

রাষ্ট্রীয় পত্রিকা গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার এ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে ৬৩টি টাউনশিপে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
মিয়ানমার জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং আগেই স্বীকার করেছেন, সারা দেশে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এরপর থেকে দেশে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত হতে থাকে সশস্ত্র প্রতিরোধ।

দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেই ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলো। তবে ভোট গণনা ও নির্বাচনের ফল ঘোষণার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি স্থিতিশীল প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার সামরিক সরকারের এই উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে জান্তা সরকারের দাবি, এই নির্বাচন জনগণের সমর্থন পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স