বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল দুটি নতুন সফটওয়্যার ও একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। এর মাধ্যমে মাস্টার্স পর্যায়ের পরীক্ষার বিল ও সম্মানী অনলাইনে সম্পাদন, পিএইচডি ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন এবং আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজিটাল ই-ডায়েরি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ডিজিটাল সেবার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. জোয়ার্দ্দার ফারুক আহমেদ, বাউরেস পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড হেলাল উদ্দীন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবিরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইসিটি সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন চালু হওয়া তিনটি সেবার মধ্যে রয়েছে মাস্টার্স পর্যায়ের পরীক্ষার বিল ও সম্মানী অনলাইনে সম্পাদনের ব্যবস্থা, পিএইচডি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করার সফটওয়্যার এবং আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য বাকৃবির ডিজিটাল ই-ডায়েরি অ্যাপ।
আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সেবার আওতায় নিয়ে আসার ধারাবাহিকতায় তিনটি নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হলো। স্নাতক পর্যায়ের বিল অনলাইনে করার পর এবার মাস্টার্স পর্যায়ের পরীক্ষার পারিতোষিক বিলও অনলাইন সেবার আওতায় আনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইআরপি সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষকরা কাগজের পরিবর্তে অনলাইনে সহজেই এ বিল জমা দিতে পারবেন। এতে প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আসবে এবং পেপারলেস ক্যাম্পাস গঠনে সহায়তা করবে।’ আইওএসভিত্তিক ই-ডায়েরি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-ডায়েরি অ্যাপটি দীর্ঘদিন ধরে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একটি দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণের জন্য এবার আইওএস প্ল্যাটফর্মেও এটি চালু করা হলো।’
রিপোর্টারের নাম 
























