অসাধারণ মেধা ও অধ্যবসায়ের ফলস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষায় ৪-এর মধ্যে ৪ সিজিপিএ অর্জন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ ফাতেহ উদ্দিন আহম্মেদ (অনিক)। শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে নিউক্লিয়ার রেডিয়েশনবিষয়ক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। একই সঙ্গে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
চাকরি, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা—এই তিন ক্ষেত্রকে সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে অদম্য ইচ্ছা এবং সুপরিকল্পিত জীবন। নিজের এই অর্জনের পেছনে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত, বাবা-মায়ের দোয়া, স্ত্রীর অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা, শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নিয়মিত অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমকে মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন ফাতেহ উদ্দিন। তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তরিক প্রচেষ্টা, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্প থাকলে যেকোনো সাফল্য অর্জন সম্ভব।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সৈয়দ ফাতেহ উদ্দিন জানান, তিনি গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে একজন দক্ষ পরমাণুবিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান ও রেডিয়েশন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদান রাখা তার প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় যুক্ত হয়ে বিশ্ব পরিসরে বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে চান তিনি।
আদর্শ পদার্থবিদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজ্ঞানের ইতিহাসে অসংখ্য বিজ্ঞানীর নিরলস অবদান আজকের আধুনিক বিশ্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে, তাই একজনকে আলাদাভাবে বেছে নেওয়া কঠিন। তবে যদি একজনকে উল্লেখ করতেই হয়, তাহলে স্যার আলবার্ট আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা, কৌতূহল, সৃজনশীলতা এবং মানবকল্যাণে বিজ্ঞানের প্রয়োগ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে।
রিপোর্টারের নাম 























