মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

১৪ শিক্ষকের মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ৫, পাশ শূন্য: শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বটতলী দাখিল মাদরাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের ভয়াবহ বৈষম্য এবং শিক্ষার নিম্নমান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী থাকলেও এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পাঁচজন শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেনি, যা শতভাগ অকৃতকার্যতার রেকর্ড তৈরি করেছে।

সোমবার (তারিখ উল্লেখ না থাকায়, ‘সম্প্রতি’ ব্যবহার) প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। মাদরাসার এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা হতবাক। এত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী থাকার পরও শিক্ষার্থীদের এমন ভরাডুবি প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান পদ্ধতি এবং সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার ফেরদৌস আলী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘এমন ফলাফল আমরা মোটেও প্রত্যাশা করিনি।’ তারাগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলামও ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান এবং মাদরাসা শিক্ষার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ‘অপরাজেয় শক্তি’ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

১৪ শিক্ষকের মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ৫, পাশ শূন্য: শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বটতলী দাখিল মাদরাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের ভয়াবহ বৈষম্য এবং শিক্ষার নিম্নমান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী থাকলেও এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পাঁচজন শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেনি, যা শতভাগ অকৃতকার্যতার রেকর্ড তৈরি করেছে।

সোমবার (তারিখ উল্লেখ না থাকায়, ‘সম্প্রতি’ ব্যবহার) প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। মাদরাসার এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা হতবাক। এত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী থাকার পরও শিক্ষার্থীদের এমন ভরাডুবি প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান পদ্ধতি এবং সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার ফেরদৌস আলী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘এমন ফলাফল আমরা মোটেও প্রত্যাশা করিনি।’ তারাগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলামও ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান এবং মাদরাসা শিক্ষার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।