পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ গেটে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে ইউএনওর বিরুদ্ধে মাদক নির্মূলে ব্যর্থতা, দায়িত্বে অবহেলা, কমিশন বাণিজ্য এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।
দুমকি ছাত্র-জনতার আয়োজনে বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এই মানববন্ধনে দুমকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আমিনুল ইসলাম, শারমিন আক্তার স্বর্ণ ও আবু রাফি বক্তব্য রাখেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউএনও নিয়মিত অফিস করেন না, ফোন ধরেন না এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কমিশন আদায় করেন। এছাড়া, ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার ও তথ্য সরবরাহকারী নিয়োগে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার এলাকায় শেষ হয়। আন্দোলনকারীরা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনও খাইরুল ইসলামকে অপসারণের আলটিমেটাম দিয়েছেন, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে ইউএনও আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রিপোর্টারের নাম 
























