মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়ে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের নিরাপদ ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: প্রভোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আবাসিক হল ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল’। প্রায় এক শতাব্দীর এই ঐতিহাসিক হল শুধু শিক্ষার্থীদের আবাসনই নিশ্চিত করেনি, বরং দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসংখ্য নেতা, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি ভূমিকম্পের পর হলটির নিরাপত্তা, সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলেছেন সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রভোস্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুস সালাম।

প্রভোস্ট মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হল নয়, এটি বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব ও জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রায় এক শতাব্দী ধরে এই হল মেধা, মনন ও নেতৃত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই হলের শিক্ষার্থীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই আমি মনে করি, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যা আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি আরও বলেন, এই হলের নেতৃত্বে একসময় প্রফেসর এফ সি টার্নার, প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসুর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাদের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি নিজেকে সম্মানিত বোধ করেন। তার চেষ্টা থাকবে এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি নিরাপদ, আধুনিক, গবেষণাবান্ধব ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

দেশের ইতিহাসে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সবচেয়ে বড় অবদান সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার মতে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সবচেয়ে বড় অবদান হলো নেতৃত্ব সৃষ্টি। এই হল থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি, জাতীয় নেতা, শিক্ষাবিদ, প্রশাসক, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বহু ব্যক্তিত্ব বের হয়ে এসেছেন।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের শিবচরে তীব্র লোডশেডিং: জনজীবন বিপর্যস্ত, ব্যবসায়ীরা দিশেহারা

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়ে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের নিরাপদ ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: প্রভোস্ট

আপডেট সময় : ১২:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আবাসিক হল ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল’। প্রায় এক শতাব্দীর এই ঐতিহাসিক হল শুধু শিক্ষার্থীদের আবাসনই নিশ্চিত করেনি, বরং দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসংখ্য নেতা, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি ভূমিকম্পের পর হলটির নিরাপত্তা, সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলেছেন সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রভোস্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুস সালাম।

প্রভোস্ট মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হল নয়, এটি বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব ও জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রায় এক শতাব্দী ধরে এই হল মেধা, মনন ও নেতৃত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই হলের শিক্ষার্থীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই আমি মনে করি, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যা আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি আরও বলেন, এই হলের নেতৃত্বে একসময় প্রফেসর এফ সি টার্নার, প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসুর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাদের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি নিজেকে সম্মানিত বোধ করেন। তার চেষ্টা থাকবে এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি নিরাপদ, আধুনিক, গবেষণাবান্ধব ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

দেশের ইতিহাসে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সবচেয়ে বড় অবদান সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার মতে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সবচেয়ে বড় অবদান হলো নেতৃত্ব সৃষ্টি। এই হল থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি, জাতীয় নেতা, শিক্ষাবিদ, প্রশাসক, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বহু ব্যক্তিত্ব বের হয়ে এসেছেন।’