ভারতের উত্তর প্রদেশের বিশ্ববিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘হিন্দু রক্ষা দল’ দাবি করেছে যে, ১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক মাদ্রাসার চত্বরে একটি শিবলিঙ্গ রয়েছে এবং এটি একটি মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল।
গত আগস্ট মাসের ৮ তারিখে এক ভিডিও বার্তায় হিন্দু রক্ষা দলের উত্তরাখণ্ড রাজ্য সভাপতি ললিত শর্মা ঘোষণা দেন যে, সংগঠনের জাতীয় সভাপতি পিঙ্কি চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি দল গত ১১ আগস্ট হরিদ্বার থেকে গঙ্গাজল নিয়ে দেওবন্দে যাবে এবং সেখানে ‘শুদ্ধিকরণ’ ও প্রার্থনা করবে। তিনি আরও দাবি করেন, তাদের দল এর আগে প্রশাসনের কাছে দেওবন্দে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর অনুমতি চেয়েছিল, কিন্তু তাতে কর্ণপাত করা হয়নি।
হিন্দু সংগঠনটির এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেওবন্দ এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেওবন্দ সার্কেলের পুলিশ কর্মকর্তা অমিত কুমার সিং কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো ধরনের অবনতি বরদাশত করা হবে না এবং কেউ পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনা ভারতের ধর্মীয় সহাবস্থান এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে ঘিরে চলমান বিতর্কের একটি নতুন সংযোজন, যা স্থানীয় প্রশাসনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 





















