মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশি গবাদিপশুর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাকৃবি উপাচার্যের

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বাণিজ্যিক খামারের পাশাপাশি দেশি জাতের গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের আবহাওয়া ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার উপযোগী দেশি জাতগুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব হলে প্রাণিসম্পদ খাতে টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা সহজ হবে। এ লক্ষ্যে উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক খামারের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী খামার ব্যবস্থার উন্নয়নে পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাকৃবির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’ (বিএসভিইআর)-এর ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ ৪২ বছরের একাডেমিক ও গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, ব্রিডিং খাতে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, উচ্চ উৎপাদনশীল জাতের উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের গ্রামবাংলার প্রচলিত খামার ব্যবস্থায় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে একটি দেশি গরু গড়ে দেড় লিটার দুধ দিলেও তা চার লিটারে উন্নীত করা সম্ভব। একইভাবে দেশি ছাগলের দুধ উৎপাদন এবং মুরগির ডিম উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো যেতে পারে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাণিজ্যিক খামারের জন্য উন্নত ব্রিডিং ব্যাকআপ তৈরির পাশাপাশি গ্রামীণ খামারিদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া গবাদিপশুর স্থানীয় জীবাণু ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ টিকা দেশেই উৎপাদনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতার ‘ফেসবুক যুদ্ধ’: অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে তৃণমূলে তোলপাড়

দেশি গবাদিপশুর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাকৃবি উপাচার্যের

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বাণিজ্যিক খামারের পাশাপাশি দেশি জাতের গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের আবহাওয়া ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার উপযোগী দেশি জাতগুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব হলে প্রাণিসম্পদ খাতে টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা সহজ হবে। এ লক্ষ্যে উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক খামারের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী খামার ব্যবস্থার উন্নয়নে পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাকৃবির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’ (বিএসভিইআর)-এর ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ ৪২ বছরের একাডেমিক ও গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, ব্রিডিং খাতে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, উচ্চ উৎপাদনশীল জাতের উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের গ্রামবাংলার প্রচলিত খামার ব্যবস্থায় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে একটি দেশি গরু গড়ে দেড় লিটার দুধ দিলেও তা চার লিটারে উন্নীত করা সম্ভব। একইভাবে দেশি ছাগলের দুধ উৎপাদন এবং মুরগির ডিম উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো যেতে পারে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাণিজ্যিক খামারের জন্য উন্নত ব্রিডিং ব্যাকআপ তৈরির পাশাপাশি গ্রামীণ খামারিদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া গবাদিপশুর স্থানীয় জীবাণু ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ টিকা দেশেই উৎপাদনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।