মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

কাউনিয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হলেও পানির অভাবে জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হলেও পানির সংকটে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। পর্যাপ্ত পানির অভাবে পাট পচানো বা জাগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, যার ফলে সোনালি আঁশের মান ও নায্য দাম পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর শঙ্কা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকায় কৃষকরা পাট কেটে রাস্তার ধারে বা শুকনো জমিতে স্তূপ করে রেখেছেন। কেউ কেউ কয়েক কিলোমিটার দূরে নদী বা গভীর খালে বাড়তি খরচে পাট নিয়ে যাচ্ছেন। এতে শ্রম ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, দেরিতে জাগ দেওয়া এবং অল্প পানিতে পচানোর ফলে আঁশের রং কালচে হয়ে যাচ্ছে, যা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, এবার আগাম পানি নেমে যাওয়ায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষকদের বিকল্প উপায়ে বা নিকটস্থ খাল-বিলে পাট জাগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ ও জাগ দেওয়ার অতিরিক্ত ব্যয় মেটানোর জন্য পাটের নায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

না ফেরার দেশে লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি

কাউনিয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হলেও পানির অভাবে জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হলেও পানির সংকটে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। পর্যাপ্ত পানির অভাবে পাট পচানো বা জাগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, যার ফলে সোনালি আঁশের মান ও নায্য দাম পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর শঙ্কা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকায় কৃষকরা পাট কেটে রাস্তার ধারে বা শুকনো জমিতে স্তূপ করে রেখেছেন। কেউ কেউ কয়েক কিলোমিটার দূরে নদী বা গভীর খালে বাড়তি খরচে পাট নিয়ে যাচ্ছেন। এতে শ্রম ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, দেরিতে জাগ দেওয়া এবং অল্প পানিতে পচানোর ফলে আঁশের রং কালচে হয়ে যাচ্ছে, যা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, এবার আগাম পানি নেমে যাওয়ায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষকদের বিকল্প উপায়ে বা নিকটস্থ খাল-বিলে পাট জাগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ ও জাগ দেওয়ার অতিরিক্ত ব্যয় মেটানোর জন্য পাটের নায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।