মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

খানসামায় আমন রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আমন ধান রোপণের ধুম লেগেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও বন্যার ধকল কাটিয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ভোরের আলো ফোটার আগেই কাঁধে ধানের চারা নিয়ে মাঠে ছুটছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে, আবার কোথাও কাদামাখা জমিতে সারিবদ্ধভাবে চলছে চারা রোপণের কাজ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এই চলতি মৌসুমে খানসামায় ১৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় সেচ খরচ কম লাগছে, যা কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সার ও শ্রমিকের বাড়তি মজুরি নিয়ে তাদের কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার ৫০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রই হতে পারে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি

খানসামায় আমন রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে কৃষি বিভাগ

আপডেট সময় : ১০:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আমন ধান রোপণের ধুম লেগেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও বন্যার ধকল কাটিয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ভোরের আলো ফোটার আগেই কাঁধে ধানের চারা নিয়ে মাঠে ছুটছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে, আবার কোথাও কাদামাখা জমিতে সারিবদ্ধভাবে চলছে চারা রোপণের কাজ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এই চলতি মৌসুমে খানসামায় ১৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় সেচ খরচ কম লাগছে, যা কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সার ও শ্রমিকের বাড়তি মজুরি নিয়ে তাদের কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার ৫০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।