পিরোজপুরের নেছারাবাদে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ভাসমান পেয়ারা বাজার বর্তমানে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। তবে এই উৎসবমুখর পরিবেশের আড়ালে লুকিয়ে আছে চাষিদের কান্না। পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকা এবং বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সীমিত হয়ে আসায় প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার পেয়ারা পচে নষ্ট হচ্ছে। ফলে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী প্রায় ২৪টি গ্রামের ৮৭৮ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়। প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ইকো-ট্যুরিজম প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করে। তবে দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও এখানে কোনো হিমাগার নির্মিত হয়নি। পচনশীল ফল হওয়ায় দ্রুত বিক্রি করতে না পারলে চাষিদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এই পেয়ারা বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। বর্তমান সরকারের কৃষি নীতিতে পচনশীল পণ্যের সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চাষিরা, যাতে এই ঐতিহ্যবাহী কৃষি শিল্পকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
রিপোর্টারের নাম 
























