মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পে জিডিপি প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন: ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারগুলোর আমলে পানিসম্পদ নিয়ে অনেক পরিকল্পনা হলেও জনস্বার্থ ও প্রকৃত বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকার দেশের সামগ্রিক কল্যাণে আন্তর্জাতিক আইন ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে।

প্রকল্পটির বহুমুখী সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সংরক্ষিত পানি কেবল কৃষিকাজে নয়, বরং ১১৩ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জলবিদ্যুৎ উৎপাদনেও ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় সাতটি আধুনিক টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪৬ দশমিক ৯ লাখ হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এই ব্যারেজ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা ও আর্সেনিক দূষণ মোকাবিলায় এবং বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই প্রকল্প মাইলফলক হয়ে থাকবে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম পর্যায় এবং ২০৩৩ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: আহত ২, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পে জিডিপি প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন: ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারগুলোর আমলে পানিসম্পদ নিয়ে অনেক পরিকল্পনা হলেও জনস্বার্থ ও প্রকৃত বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকার দেশের সামগ্রিক কল্যাণে আন্তর্জাতিক আইন ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে।

প্রকল্পটির বহুমুখী সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সংরক্ষিত পানি কেবল কৃষিকাজে নয়, বরং ১১৩ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জলবিদ্যুৎ উৎপাদনেও ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় সাতটি আধুনিক টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪৬ দশমিক ৯ লাখ হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এই ব্যারেজ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা ও আর্সেনিক দূষণ মোকাবিলায় এবং বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই প্রকল্প মাইলফলক হয়ে থাকবে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম পর্যায় এবং ২০৩৩ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হবে।