ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও বার্তা চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, রিল বানানোর আগে শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে।
আশুতোষ রাঙ্কা আরও বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী রাতে সামাজিক মাধ্যমে রিল তৈরি করেন, তবে তা ব্যবস্থার ভেতরের অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন, অথচ সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ না নিয়ে রিল তৈরি করছেন। আগে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিন এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করান, তারপর রিল বানান – আমরাও সেগুলো শেয়ার করব।
সিজেপি মুখপাত্র অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ আন্দোলনকারীদের যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে এবং সেখানে খাবার পৌঁছানো ঠেকাতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁকে ভয় দেখাচ্ছে। তিনি কয়েকটি বার্তার স্ক্রিনশট শেয়ার করে বলেন, মানুষ যন্তর মন্তরে আসা বা আন্দোলনকারীদের সহায়তা করা থেকে বিরত থাকবে না, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন।
এক বিবৃতিতে সিজেপি জানিয়েছে, যন্তর মন্তর ও এর আশপাশে দিল্লি পুলিশের দমনমূলক পদক্ষেপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিবৃতিতে অবিলম্বে যন্তর মন্তরে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকদের বেআইনিভাবে আটক, হয়রানি বা বাধা দেওয়া বন্ধ করতে এবং সেখানে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সিজেপির নেতৃত্বে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ায় দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























