ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে পাকিস্তান-তুরস্কের বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি

প্রতিরক্ষা খাতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক ‘কান’ যুদ্ধবিমান যৌথভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে একটি বড় ধরনের চুক্তির দিকে এগোচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক অংশীদারত্ব আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বিশেষ করে যুদ্ধবিমানের ইলেকট্রনিকস এবং রাডার প্রযুক্তি বা অ্যাভিওনিক্স তৈরিতে উভয় দেশ একে অপরের কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করবে।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের আওতায় ‘কান-পিকে’ নামক একটি বিশেষ সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে এই সহযোগিতার মূল চুক্তিটি চূড়ান্ত হতে পারে। তুরস্কের বিমান নির্মাণ শিল্পের অভিজ্ঞতা এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এই যুদ্ধবিমানটি তৈরি করা হবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কৌশলগত জোট পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলবে। তুরস্কের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পাকিস্তানের সামরিক প্রয়োজনীয়তার সমন্বয় ঘটিয়ে এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই যৌথ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দুই দেশের বিমান বাহিনী আরও শক্তিশালী ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংহাইয়ের আদলে ঢাকাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ

পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে পাকিস্তান-তুরস্কের বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি

আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

প্রতিরক্ষা খাতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক ‘কান’ যুদ্ধবিমান যৌথভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে একটি বড় ধরনের চুক্তির দিকে এগোচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক অংশীদারত্ব আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বিশেষ করে যুদ্ধবিমানের ইলেকট্রনিকস এবং রাডার প্রযুক্তি বা অ্যাভিওনিক্স তৈরিতে উভয় দেশ একে অপরের কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করবে।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের আওতায় ‘কান-পিকে’ নামক একটি বিশেষ সংস্করণ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে এই সহযোগিতার মূল চুক্তিটি চূড়ান্ত হতে পারে। তুরস্কের বিমান নির্মাণ শিল্পের অভিজ্ঞতা এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এই যুদ্ধবিমানটি তৈরি করা হবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমায় সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কৌশলগত জোট পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলবে। তুরস্কের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পাকিস্তানের সামরিক প্রয়োজনীয়তার সমন্বয় ঘটিয়ে এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই যৌথ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দুই দেশের বিমান বাহিনী আরও শক্তিশালী ও আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবে।