লিবিয়ার বিবদমান পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় শক্তিগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতা শুরু করেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের এই ভূমিকা সফল হলে দেশটির ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে, যা নিরসনে এখন নতুন করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণ অবগত এবং তারা এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় সমর্থন দিচ্ছে। এছাড়া সৌদি আরবও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনেও পাকিস্তান কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়। লিবিয়ার উভয় পক্ষই পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, লিবিয়াকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করতে হলে বিদেশি শক্তিগুলোর স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে তেল রাজস্ব, নির্বাচনী নিয়ম এবং সরকারি পদ বণ্টন নিয়ে যে বিরোধ রয়েছে, তা সমাধান করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে ২০২৬ সালের মধ্যে একটি স্থিতিশীল সমাধানের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
রিপোর্টারের নাম 
























