ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে রেকর্ড ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, পাহাড়ধসের শঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। একটানা এই ভারী বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, ড্রেনেজ প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষ না হওয়ায় কিছু এলাকায় পানি জমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি নিজে মাঠ পর্যায়ে তদারকি করছেন। এদিকে বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি দেখা দেওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে এবং উপকূলীয় বাসিন্দাদের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট ও উদ্ধারকারী দল সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুলগাজীতে চেক জালিয়াতি: ৫১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামে রেকর্ড ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, পাহাড়ধসের শঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা

আপডেট সময় : ০১:১৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। একটানা এই ভারী বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, ড্রেনেজ প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষ না হওয়ায় কিছু এলাকায় পানি জমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি নিজে মাঠ পর্যায়ে তদারকি করছেন। এদিকে বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি দেখা দেওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে এবং উপকূলীয় বাসিন্দাদের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট ও উদ্ধারকারী দল সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত রয়েছে।