ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: নীলফামারীতে প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কিশামত রণচন্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বিদ্যালয়ে দেরিতে উপস্থিত হওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক আজিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার এ ধরনের আচরণ পেশাগত শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই-আগস্টে বড় বন্যার আশঙ্কা: ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে পানি

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: নীলফামারীতে প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০২:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কিশামত রণচন্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বিদ্যালয়ে দেরিতে উপস্থিত হওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক আজিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার এ ধরনের আচরণ পেশাগত শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।