ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

গোদাগাড়ীতে শিক্ষকের নির্মম নির্যাতনে ছাত্রের দাঁত জখম, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আবাসিক ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের পিটুনিতে ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসেনের একটি দাঁত ভেঙে গেছে এবং আরও তিনটি দাঁত মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জুবায়ের তানোর উপজেলার বাসিন্দা এবং সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় হাফিজিয়া বিভাগে পড়াশোনা করত।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার জানায়, আসরের নামাজের সময় অন্য এক সহপাঠীর সাথে মোবাইল দেখার অপরাধে শিক্ষক ইয়াসিন আলী জুবায়েরের ওপর চড়াও হন। তিনি জুবায়েরের গলা টিপে ধরে সজোরে চড় মারেন, যার ফলে সে দেয়ালে আছড়ে পড়ে। এরপর তাকে তুলে আবারও আঘাত করা হলে তার দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির বুকে রক্ত জমাট বেঁধেছে এবং তার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর।

এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক ইয়াসিন আলী পলাতক রয়েছেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা মাদরাসায় গিয়ে এই অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে হারাতে মরিয়া কেপ ভার্দে, মেসিকে নিয়ে নেই আলাদা পরিকল্পনা

গোদাগাড়ীতে শিক্ষকের নির্মম নির্যাতনে ছাত্রের দাঁত জখম, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময় : ১০:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আবাসিক ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের পিটুনিতে ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসেনের একটি দাঁত ভেঙে গেছে এবং আরও তিনটি দাঁত মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জুবায়ের তানোর উপজেলার বাসিন্দা এবং সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় হাফিজিয়া বিভাগে পড়াশোনা করত।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার জানায়, আসরের নামাজের সময় অন্য এক সহপাঠীর সাথে মোবাইল দেখার অপরাধে শিক্ষক ইয়াসিন আলী জুবায়েরের ওপর চড়াও হন। তিনি জুবায়েরের গলা টিপে ধরে সজোরে চড় মারেন, যার ফলে সে দেয়ালে আছড়ে পড়ে। এরপর তাকে তুলে আবারও আঘাত করা হলে তার দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির বুকে রক্ত জমাট বেঁধেছে এবং তার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর।

এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক ইয়াসিন আলী পলাতক রয়েছেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা মাদরাসায় গিয়ে এই অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।