ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

তিস্তার পানি বৃদ্ধি: গঙ্গাচড়ায় পানিবন্দি সাড়ে ৪ হাজার পরিবার, তীব্র ভাঙন

ভারতের উজানের ঢল ও টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির প্রবল চাপে মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বাঁধের প্রায় ১৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, যার ফলে মহিপুর সেতু ও রংপুর-কাকিনা আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ পানি বাড়ায় অনেক পরিবার গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অনেক জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবে মানবতাবিরোধী অপরাধ: জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় আজ

তিস্তার পানি বৃদ্ধি: গঙ্গাচড়ায় পানিবন্দি সাড়ে ৪ হাজার পরিবার, তীব্র ভাঙন

আপডেট সময় : ১১:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ভারতের উজানের ঢল ও টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির প্রবল চাপে মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বাঁধের প্রায় ১৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, যার ফলে মহিপুর সেতু ও রংপুর-কাকিনা আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ পানি বাড়ায় অনেক পরিবার গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অনেক জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।