ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সুখরঞ্জন বালী অপহরণ মামলা: পুলিশের এএসপি মোখলেসুর রহমান গ্রেপ্তার

২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ থেকে চাঞ্চল্যকর সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) মোখলেসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুখরঞ্জন বালী ছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাফাই সাক্ষী। ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে আসার সময় তাকে অপহরণ করা হয় এবং পরবর্তী পাঁচ বছর তাকে ভারতের একটি কারাগারে বন্দি থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় পর তিনি দেশে ফিরে এসে তার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার দাবি করেন।

সম্প্রতি এই অপহরণের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছিলেন সুখরঞ্জন বালী। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই পুলিশ এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম: ভরিপ্রতি বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

সুখরঞ্জন বালী অপহরণ মামলা: পুলিশের এএসপি মোখলেসুর রহমান গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ থেকে চাঞ্চল্যকর সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) মোখলেসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুখরঞ্জন বালী ছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাফাই সাক্ষী। ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে আসার সময় তাকে অপহরণ করা হয় এবং পরবর্তী পাঁচ বছর তাকে ভারতের একটি কারাগারে বন্দি থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় পর তিনি দেশে ফিরে এসে তার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার দাবি করেন।

সম্প্রতি এই অপহরণের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছিলেন সুখরঞ্জন বালী। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই পুলিশ এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।