ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

জুলাই-আগস্টে বড় বন্যার আশঙ্কা: ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে পানি

উজানে অতিবৃষ্টির কারণে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের প্রধান দুই নদী অববাহিকা—ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনায় বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, জলবায়ুগত পরিবর্তনের প্রভাবে এই দুই মাসে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার রূপ নিতে পারে। প্রতি বছরই বর্ষার এই সময়ে উজানে ভারী বর্ষণের ফলে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যাগুলো সাধারণত জুলাই ও আগস্ট মাসেই সংঘটিত হয়েছে। ১৯৮৮ সালের প্রলয়ংকরী বন্যা এবং ১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়ী বন্যা—উভয়ই এই সময়েই হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের বন্যা টানা দুই মাসেরও বেশি সময় স্থায়ী হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। এবারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর প্রবাহ একই সময়ে বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নাঞ্চল কিছুটা প্লাবিত থাকলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে নদী তীরবর্তী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটি দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য ৩ দিন আগে বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম, যা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবাধ তথ্যপ্রবাহ ও জবাবদিহিতায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা

জুলাই-আগস্টে বড় বন্যার আশঙ্কা: ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে পানি

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

উজানে অতিবৃষ্টির কারণে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের প্রধান দুই নদী অববাহিকা—ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনায় বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, জলবায়ুগত পরিবর্তনের প্রভাবে এই দুই মাসে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার রূপ নিতে পারে। প্রতি বছরই বর্ষার এই সময়ে উজানে ভারী বর্ষণের ফলে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যাগুলো সাধারণত জুলাই ও আগস্ট মাসেই সংঘটিত হয়েছে। ১৯৮৮ সালের প্রলয়ংকরী বন্যা এবং ১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়ী বন্যা—উভয়ই এই সময়েই হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের বন্যা টানা দুই মাসেরও বেশি সময় স্থায়ী হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। এবারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর প্রবাহ একই সময়ে বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নাঞ্চল কিছুটা প্লাবিত থাকলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে নদী তীরবর্তী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটি দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য ৩ দিন আগে বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম, যা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।