ইসলাম মানুষের জীবনকে ভারসাম্যপূর্ণ করার জন্য ইবাদতের পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ও শরীরচর্চাকে গুরুত্ব দিয়েছে। শরীরকে সুস্থ, মনকে প্রফুল্ল এবং কর্মক্ষম রাখতে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। ইসলামে খেলাধুলা ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ নয়, বরং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এমন অনেক খেলাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে বিনোদনের নামে এমন কোনো কাজ সমর্থন করা হয়নি যা মানুষের নৈতিকতা বা ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে অশ্বারোহণ, তিরন্দাজি, দৌড় ও কুস্তির মতো শারীরিক কসরতপূর্ণ খেলাধুলার প্রচলন ছিল। তিনি নিজে সাহাবিদের সাথে এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন এবং উৎসাহিত করেছেন। আধুনিক যুগের ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল বা ব্যাডমিন্টনের মতো খেলাগুলোও মূলত বৈধ। তবে এসবের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত প্রযোজ্য—যেমন নামাজের সময় রক্ষা করা, জুয়া বা বাজিমুক্ত থাকা এবং শালীন পোশাক পরিধান করা।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যে খেলাধুলা মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ করে বা সমাজে অশ্লীলতা ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়, তা বর্জনীয়। অন্যদিকে, যে খেলাধুলা শরীরকে শক্তিশালী করে এবং সুশৃঙ্খল জীবন যাপনে সহায়তা করে, তা শরিয়তের দৃষ্টিতে প্রশংসনীয়। মূলত পরিমিতি বোধ এবং নৈতিকতা বজায় রেখে সুস্থ বিনোদন চর্চাই ইসলামের শিক্ষা।
রিপোর্টারের নাম 

























