ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

কঙ্গোর গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী: লিওনেল এমপাসির অবিশ্বাস্য উত্থানগাথা

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে বরাবরই কোনো না কোনো অখ্যাত বীরের জন্ম হয়। এবারের আসরে ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছেন গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নকআউট পর্বের লড়াইয়ে এমপাসি যে অতিমানবীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা দীর্ঘকাল ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকবে। যদিও ম্যাচটিতে ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে, কিন্তু এমপাসির বীরত্বগাথা হার মানিয়েছে সব পরাজয়কে।

প্যারিসের শহরতলিতে বেড়ে ওঠা এমপাসির ফুটবল যাত্রা শুরু হয়েছিল পিএসজি ও তুলুসের একাডেমি থেকে। ফরাসি বয়সভিত্তিক দলে খেললেও শেষ পর্যন্ত তিনি বেছে নেন পিতৃভূমি কঙ্গোকে। ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে মিসরের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়সূচক গোল করে তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন। দীর্ঘ ৫২ বছর পর কঙ্গোকে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফিরিয়ে আনার পেছনেও এই গোলরক্ষকের রয়েছে অসামান্য অবদান।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে এমপাসি নিজেকে এক দুর্ভেদ্য দেয়ালে পরিণত করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকরা তাকে ‘অ্যাবসোলিউট ব্রিক ওয়াল’ হিসেবে অভিহিত করছেন। ৩১ বছর বয়সি এই গোলরক্ষকের লড়াকু মানসিকতা কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে ছাত্রীদের ছবি তোলার অভিযোগ: মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন যুবদল নেতা

কঙ্গোর গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী: লিওনেল এমপাসির অবিশ্বাস্য উত্থানগাথা

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে বরাবরই কোনো না কোনো অখ্যাত বীরের জন্ম হয়। এবারের আসরে ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছেন গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নকআউট পর্বের লড়াইয়ে এমপাসি যে অতিমানবীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা দীর্ঘকাল ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকবে। যদিও ম্যাচটিতে ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে, কিন্তু এমপাসির বীরত্বগাথা হার মানিয়েছে সব পরাজয়কে।

প্যারিসের শহরতলিতে বেড়ে ওঠা এমপাসির ফুটবল যাত্রা শুরু হয়েছিল পিএসজি ও তুলুসের একাডেমি থেকে। ফরাসি বয়সভিত্তিক দলে খেললেও শেষ পর্যন্ত তিনি বেছে নেন পিতৃভূমি কঙ্গোকে। ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে মিসরের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়সূচক গোল করে তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন। দীর্ঘ ৫২ বছর পর কঙ্গোকে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফিরিয়ে আনার পেছনেও এই গোলরক্ষকের রয়েছে অসামান্য অবদান।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে এমপাসি নিজেকে এক দুর্ভেদ্য দেয়ালে পরিণত করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকরা তাকে ‘অ্যাবসোলিউট ব্রিক ওয়াল’ হিসেবে অভিহিত করছেন। ৩১ বছর বয়সি এই গোলরক্ষকের লড়াকু মানসিকতা কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।