ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা এখন বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত এই শোকানুষ্ঠানে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সাম্প্রতিক এক হামলায় নিহত খামেনিসহ অন্যান্যদের মরদেহ শুক্রবার ভোরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেখানে আনা হয়। আগামী দুই দিন সাধারণ মানুষ ও বিদেশি অতিথিরা সেখানে তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
এই শোকসভায় অংশ নিতে এরই মধ্যে রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানে পৌঁছেছে। আয়োজকদের ধারণা, অন্তত ১০০টি দেশের প্রতিনিধি এই জানাজায় অংশ নেবেন। দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয় প্রশাসন। ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় প্রতিনিধিরাও প্রথম দিকেই তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খামেনির পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্টজনদের উপস্থিতিতে এক ঘরোয়া বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক এক সামরিক হামলায় তিনি প্রাণ হারান, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। খামেনির এই মহাপ্রয়াণ কেবল ইরানের জন্য নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতেও এক বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 





















