ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

বিদেশে জব্দ করা হাজার কোটি ডলারের সম্পদ ফেরাতে কেন হিমশিম খাচ্ছে ইরান?

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের বিশাল পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ উদ্ধার করা তেহরানের জন্য একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে ইরানের প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি থেকে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের সম্পদ জব্দ অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই সম্পদের মধ্যে প্রধানত রয়েছে তেল ও গ্যাস বিক্রির বকেয়া বিল এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ব্যাংকিং খাতের সীমাবদ্ধতার কারণে এই অর্থ নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে পারছে না ইরান। যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কিছু সমঝোতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তবুও আইনি ও রাজনৈতিক মারপ্যাঁচের কারণে এই অর্থ বাস্তবে স্থানান্তর করা বেশ সময়সাপেক্ষ। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব এবং পরবর্তী বিভিন্ন কূটনৈতিক সংকটের পর থেকে ধাপে ধাপে এই সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই বিশাল অর্থ অবমুক্ত করা সম্ভব হলে ইরানের বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রাণসঞ্চার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে ছাত্রীদের ছবি তোলার অভিযোগ: মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন যুবদল নেতা

বিদেশে জব্দ করা হাজার কোটি ডলারের সম্পদ ফেরাতে কেন হিমশিম খাচ্ছে ইরান?

আপডেট সময় : ১২:৫৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের বিশাল পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ উদ্ধার করা তেহরানের জন্য একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে ইরানের প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি থেকে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের সম্পদ জব্দ অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই সম্পদের মধ্যে প্রধানত রয়েছে তেল ও গ্যাস বিক্রির বকেয়া বিল এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ব্যাংকিং খাতের সীমাবদ্ধতার কারণে এই অর্থ নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে পারছে না ইরান। যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কিছু সমঝোতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তবুও আইনি ও রাজনৈতিক মারপ্যাঁচের কারণে এই অর্থ বাস্তবে স্থানান্তর করা বেশ সময়সাপেক্ষ। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব এবং পরবর্তী বিভিন্ন কূটনৈতিক সংকটের পর থেকে ধাপে ধাপে এই সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই বিশাল অর্থ অবমুক্ত করা সম্ভব হলে ইরানের বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রাণসঞ্চার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।