ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

মানবাধিকার কমিশন আইন: নতুন করে ‘দানব’ তৈরির শঙ্কা টিআইবির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ায় নাগরিক সমাজের সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি মনে করে, প্রস্তাবিত আইনে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে, যা সংশোধন না করলে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না নতুন করে ফ্যাঙ্কেনস্টাইনের মতো কোনো দানব তৈরি হোক।’ সরকারের ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার এবং জুলাই সনদের লক্ষ্য পূরণে এই আইনের আধুনিকায়ন ও নাগরিক সমাজের প্রস্তাবনা গ্রহণ করা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রস্তাবিত খসড়াটি আমূল পরিবর্তন করা প্রয়োজন। অন্যথায় এটি কেবল নামকাওয়াস্তে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইন, সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল

মানবাধিকার কমিশন আইন: নতুন করে ‘দানব’ তৈরির শঙ্কা টিআইবির

আপডেট সময় : ০১:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ায় নাগরিক সমাজের সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি মনে করে, প্রস্তাবিত আইনে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে, যা সংশোধন না করলে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না নতুন করে ফ্যাঙ্কেনস্টাইনের মতো কোনো দানব তৈরি হোক।’ সরকারের ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার এবং জুলাই সনদের লক্ষ্য পূরণে এই আইনের আধুনিকায়ন ও নাগরিক সমাজের প্রস্তাবনা গ্রহণ করা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রস্তাবিত খসড়াটি আমূল পরিবর্তন করা প্রয়োজন। অন্যথায় এটি কেবল নামকাওয়াস্তে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।