ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

উদ্বোধনের আগেই কোটালীপাড়া মডেল মসজিদে ফাটল: নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের দেয়ালে উদ্বোধনের আগেই ফাটল দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে ফাটল ঢাকতে তড়িঘড়ি করে সিমেন্ট ও প্লাস্টারের প্রলেপ দিয়ে সংস্কার কাজ চালানো হচ্ছে। ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের সাত বছর পার হলেও শেষ না হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৯ সালে এই মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই তদারকির অভাব ও মানহীন উপকরণের ব্যবহারের কারণে মসজিদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। এমনকি প্রকল্প এলাকায় কোনো তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ড না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যয়ের বিষয়ে সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারছেন না।

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ছেড়ে দেওয়ার পর ২০২৩ সালে নতুন করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, ভবনের মূল কাঠামোতে কোনো সমস্যা নেই, কেবল প্লাস্টারে কিছু ফাটল দেখা দিয়েছে যা সংস্কার করা হচ্ছে। বকেয়া বিল ও নানা জটিলতার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি হয়েছে বলে তারা জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারীতে পুকুরপাড়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু, এলাকায় ক্ষোভ

উদ্বোধনের আগেই কোটালীপাড়া মডেল মসজিদে ফাটল: নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের দেয়ালে উদ্বোধনের আগেই ফাটল দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে ফাটল ঢাকতে তড়িঘড়ি করে সিমেন্ট ও প্লাস্টারের প্রলেপ দিয়ে সংস্কার কাজ চালানো হচ্ছে। ১২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের সাত বছর পার হলেও শেষ না হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৯ সালে এই মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই তদারকির অভাব ও মানহীন উপকরণের ব্যবহারের কারণে মসজিদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। এমনকি প্রকল্প এলাকায় কোনো তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ড না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যয়ের বিষয়ে সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারছেন না।

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ছেড়ে দেওয়ার পর ২০২৩ সালে নতুন করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, ভবনের মূল কাঠামোতে কোনো সমস্যা নেই, কেবল প্লাস্টারে কিছু ফাটল দেখা দিয়েছে যা সংস্কার করা হচ্ছে। বকেয়া বিল ও নানা জটিলতার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি হয়েছে বলে তারা জানান।