ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

মানসিক প্রশান্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত সূর্যাস্ত দেখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে প্রতিদিন কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় উপভোগ করার অভ্যাস মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তা কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। এটি কেবল মনের প্রশান্তিই নয়, বরং মানুষের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতেও বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গোধূলির এই মনোরম দৃশ্য মানুষের মাঝে এক ধরনের বিস্ময় ও শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে, যা ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্টকে তুচ্ছ করে দেখার মানসিক শক্তি যোগায়। এছাড়া সূর্যাস্তের মৃদু প্রাকৃতিক আলো শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এতে করে শরীরে ‘মেলাটোনিন’ হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা রাতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের পথ প্রশস্ত করে। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য কেবল দৃষ্টিসুখই দেয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করবে না ইরান

মানসিক প্রশান্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত সূর্যাস্ত দেখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে প্রতিদিন কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় উপভোগ করার অভ্যাস মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তা কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। এটি কেবল মনের প্রশান্তিই নয়, বরং মানুষের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতেও বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গোধূলির এই মনোরম দৃশ্য মানুষের মাঝে এক ধরনের বিস্ময় ও শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে, যা ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্টকে তুচ্ছ করে দেখার মানসিক শক্তি যোগায়। এছাড়া সূর্যাস্তের মৃদু প্রাকৃতিক আলো শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এতে করে শরীরে ‘মেলাটোনিন’ হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা রাতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের পথ প্রশস্ত করে। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য কেবল দৃষ্টিসুখই দেয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।