ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা: দুবাই পুলিশের সাড়া নেই

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দুবাই পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তাকে হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশ সরকার জোর তৎপরতা চালালেও এখন পর্যন্ত আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

গত ১২ জুন বেনজীর আহমেদকে আটকের বিষয়টি ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুন তাকে ফিরিয়ে আনতে ২৪৪ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত নথিপত্র দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এই নথিতে বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, অর্থ পাচার, গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসহ আদালতের বিভিন্ন গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নথিপত্র পাঠানোর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ফিরতি বার্তা আসেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেনজীরকে ফেরানো এখন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে আলাপ-আলোচনা চললেও আইনি জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও দুর্নীতির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন

সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা: দুবাই পুলিশের সাড়া নেই

আপডেট সময় : ১০:২৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দুবাই পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তাকে হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশ সরকার জোর তৎপরতা চালালেও এখন পর্যন্ত আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

গত ১২ জুন বেনজীর আহমেদকে আটকের বিষয়টি ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুন তাকে ফিরিয়ে আনতে ২৪৪ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত নথিপত্র দুবাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এই নথিতে বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, অর্থ পাচার, গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসহ আদালতের বিভিন্ন গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নথিপত্র পাঠানোর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ফিরতি বার্তা আসেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেনজীরকে ফেরানো এখন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে আলাপ-আলোচনা চললেও আইনি জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও দুর্নীতির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।