ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ফারসি বিভাগে কোনো প্রকার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, যোগ্য ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফারসি বিশেষজ্ঞদের বাদ দিয়ে বিশেষ সুপারিশের ভিত্তিতে বিতর্কিত এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সূত্রমতে, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও আল-জামিয়া আল-মুস্তাফা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ শাখার এক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে। আবেদনকারী ড. মাঈন উদ্দিনের মূল পড়াশোনা গণিত বিষয়ে হলেও তাকে শিক্ষক হিসেবে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে। এদিকে, ওই কর্মকর্তার প্রতিষ্ঠান আল-জামিয়া আল-মুস্তাফা ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে বাংলাদেশে গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিয়া মতাদর্শ প্রচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) জমা দেওয়া এক অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সরকারের কাছে তথ্য গোপন করে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদত এবং নারী পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন এক সাবেক শিক্ষক। এমন পরিস্থিতিতে যোগ্য প্রার্থীদের উপেক্ষা করে বিতর্কিত একজনকে নিয়োগ দেওয়ার এই প্রক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 






















