ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

কম্বোডিয়ায় সাইবার স্ক্যামের কবলে পড়া ৫৮৩ বাংলাদেশি উদ্ধার, ফিরছেন দেশে

বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় পাচার হওয়া ৫৮৩ জন বাংলাদেশিকে গত জুন মাসে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের পর তাদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১০৯ জনের একটি দল গত মঙ্গলবার রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ভুক্তভোগীদের বর্ণনা থেকে জানা যায়, তাদের কম্পিউটার অপারেটরসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পদের আশ্বাস দিয়ে কম্বোডিয়া নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তাদের দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কাজ করতে বাধ্য করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে চলত অমানুষিক নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে বহু বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়া গিয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার স্ক্যাম এখন মানবপাচারের একটি ভয়াবহ রূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন এবং পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাখাইনে ফের বিমান হামলা, কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত

কম্বোডিয়ায় সাইবার স্ক্যামের কবলে পড়া ৫৮৩ বাংলাদেশি উদ্ধার, ফিরছেন দেশে

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় পাচার হওয়া ৫৮৩ জন বাংলাদেশিকে গত জুন মাসে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের পর তাদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১০৯ জনের একটি দল গত মঙ্গলবার রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ভুক্তভোগীদের বর্ণনা থেকে জানা যায়, তাদের কম্পিউটার অপারেটরসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পদের আশ্বাস দিয়ে কম্বোডিয়া নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তাদের দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কাজ করতে বাধ্য করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে চলত অমানুষিক নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে বহু বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়া গিয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার স্ক্যাম এখন মানবপাচারের একটি ভয়াবহ রূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন এবং পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।