ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন নিয়ে প্রশাসন ও ডাকসু নেতার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ২১টি এসি স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ডাকসু নেতাদের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সাবেক ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।

মাজহারুল ইসলাম এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, তৎকালীন উপাচার্যের মৌখিক অনুমোদন নিয়েই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এসি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ১০৫ টনের সক্ষমতা যাচাই করে প্রকৌশল বিভাগ একটি বাজেটও তৈরি করেছিল। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে আলাদা সাব-স্টেশন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যার অনুমোদন উপাচার্য দিয়েছিলেন।

ডাকসু নেতার অভিযোগ, প্রশাসনের একটি অংশ এই ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন কাজ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনীতি করছে। তিনি আরও জানান, সাব-স্টেশন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও রহস্যজনক কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় কল্যাণে বিশুদ্ধ আকিদা অনুসরণের বিকল্প নেই: রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন নিয়ে প্রশাসন ও ডাকসু নেতার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আপডেট সময় : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ২১টি এসি স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ডাকসু নেতাদের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সাবেক ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।

মাজহারুল ইসলাম এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, তৎকালীন উপাচার্যের মৌখিক অনুমোদন নিয়েই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এসি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ১০৫ টনের সক্ষমতা যাচাই করে প্রকৌশল বিভাগ একটি বাজেটও তৈরি করেছিল। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে আলাদা সাব-স্টেশন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যার অনুমোদন উপাচার্য দিয়েছিলেন।

ডাকসু নেতার অভিযোগ, প্রশাসনের একটি অংশ এই ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন কাজ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনীতি করছে। তিনি আরও জানান, সাব-স্টেশন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও রহস্যজনক কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।