ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রংপুরে মাদক মামলার আলামত কমাতে ঘুষ লেনদেন, সিপাহির ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

রংপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক সিপাহির বিরুদ্ধে মাদক কারবারির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সিপাহি আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কম দেখানো এবং মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন মিঠাপুকুর উপজেলার একটি গুচ্ছগ্রামে অভিযান চালিয়ে ১০ লিটার চোলাই মদসহ আবজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আটকের পর আবজালের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলার আলামত কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন সিপাহি আল-আমিন। বিনিময়ে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আল-আমিন টাকা গ্রহণের বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করছেন এবং তার নির্দেশিত এক ব্যক্তি বাকি টাকা গ্রহণ করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে এই টাকা আদায় করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সিপাহি আল-আমিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে রংপুর বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ব্রাজিলের জয় উদ্‌যাপনে বিশৃঙ্খলা, বাধা দেওয়ায় পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত

রংপুরে মাদক মামলার আলামত কমাতে ঘুষ লেনদেন, সিপাহির ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রংপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক সিপাহির বিরুদ্ধে মাদক কারবারির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সিপাহি আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ কম দেখানো এবং মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন মিঠাপুকুর উপজেলার একটি গুচ্ছগ্রামে অভিযান চালিয়ে ১০ লিটার চোলাই মদসহ আবজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আটকের পর আবজালের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলার আলামত কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন সিপাহি আল-আমিন। বিনিময়ে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আল-আমিন টাকা গ্রহণের বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করছেন এবং তার নির্দেশিত এক ব্যক্তি বাকি টাকা গ্রহণ করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে এই টাকা আদায় করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সিপাহি আল-আমিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে রংপুর বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।