ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জয়পুরহাটে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, উত্তাল এলাকা

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। নিহত বন্দনা রানীর স্বামী রাজকুমারসহ সকল আসামির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাদহ বাজারে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় কয়েকশ নারী-পুরুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জানা গেছে, গত ২৮ জুন ভোরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী রাজকুমার তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই বন্দনা রানীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং অভিযুক্ত স্বামী রাজকুমারকে গ্রেফতার করে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং মদদদাতা সকলকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ব্রাজিলের জয় উদ্‌যাপনে বিশৃঙ্খলা, বাধা দেওয়ায় পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত

জয়পুরহাটে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, উত্তাল এলাকা

আপডেট সময় : ০৮:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। নিহত বন্দনা রানীর স্বামী রাজকুমারসহ সকল আসামির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাদহ বাজারে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় কয়েকশ নারী-পুরুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জানা গেছে, গত ২৮ জুন ভোরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী রাজকুমার তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই বন্দনা রানীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং অভিযুক্ত স্বামী রাজকুমারকে গ্রেফতার করে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং মদদদাতা সকলকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।