মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইরাক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসাইন জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলো এবং ইরানের মধ্যকার বিরোধ মেটাতে ইরাক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে চায়। হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাতের ফলে ইরাক অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ দেশটির রাজস্বের সিংহভাগই আসে এই পথ দিয়ে তেল রপ্তানি থেকে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বাগদাদ সফরকালে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠকে দুই দেশের মন্ত্রী আঞ্চলিক নিরাপত্তা ছাড়াও ধর্মীয় ও কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই পূর্ববর্তী চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলতে হবে এবং লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানের সামরিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এই বৈঠক থেকে।
রিপোর্টারের নাম 
























