ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সব সেশনের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আওতাভুক্ত করার দাবি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষসহ বর্তমানে অধ্যয়নরত সকল সেশনের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। রোববার কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের অনিশ্চয়তা দূর করতে দ্রুত ও সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেশনজট, ফলাফল বিপর্যয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা থেকে মুক্তি দেওয়া। তবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর কেবল নতুন সেশনের শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা বৈষম্যমূলক। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে রানিং সেশনের শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন, তাই তাদের বাদ দিয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বর্তমানে তারা চরম পরিচয় সংকটে ভুগছেন। একদিকে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে দাবি আদায়ে সোচ্চার হলে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নানাভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা মনে করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফল কেবল নতুনদের জন্য হতে পারে না, বরং চলমান সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই কাঠামোর আওতায় এনে একাডেমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে বৈষম্যহীন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

সব সেশনের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আওতাভুক্ত করার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষসহ বর্তমানে অধ্যয়নরত সকল সেশনের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। রোববার কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের অনিশ্চয়তা দূর করতে দ্রুত ও সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেশনজট, ফলাফল বিপর্যয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা থেকে মুক্তি দেওয়া। তবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর কেবল নতুন সেশনের শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা বৈষম্যমূলক। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে রানিং সেশনের শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন, তাই তাদের বাদ দিয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বর্তমানে তারা চরম পরিচয় সংকটে ভুগছেন। একদিকে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে দাবি আদায়ে সোচ্চার হলে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নানাভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা মনে করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফল কেবল নতুনদের জন্য হতে পারে না, বরং চলমান সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই কাঠামোর আওতায় এনে একাডেমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে বৈষম্যহীন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।